Dear CCI Friends and Families:
We hope you all are doing fine and looking forward to our annual parar Durga Puja 2025.
This year, as you may already know, we’ll be celebrating the pujo on Oct 3,4,5 here in Cincinnati (Mason High School).
On behalf of the Pujo team, we welcome you to join the Pujo team for helping us organize the pujo related activities.
If you’re a new addition to our extended CCI family, we can definitely tell you that the pujo team has the most fun :)
- If you would like to sponsor the pujo for any day (Saptami, Ashtami or Navami); please sign up in the below spreadsheet.
We hope you all are doing fine and looking forward to our annual parar Durga Puja 2025.
This year, as you may already know, we’ll be celebrating the pujo on Oct 3,4,5 here in Cincinnati (Mason High School).
On behalf of the Pujo team, we welcome you to join the Pujo team for helping us organize the pujo related activities.
If you’re a new addition to our extended CCI family, we can definitely tell you that the pujo team has the most fun :)
- If you would like to sponsor the pujo for any day (Saptami, Ashtami or Navami); please sign up in the below spreadsheet.
- If you would like to donate for the pujo items (like Maa Durga’s Saree, fruits & flowers, sweets etc.) ; please sign up in the below spreadsheet.
Please note that these donations and sponsorships are separate from the regular registration fees for 2025 Durga Puja.
We will be sending a final email to provide you with the date and time for bringing the bhog and puja-related items (Saree, Dhoti, etc.).
In the meantime, please do not hesitate to contact us via email/ texts or phone call if you have any questions or need further information.
Nita Ghose - [email protected] (732-309-3397)
Triparna Roy - [email protected] (513-496-7564)
Wishing you all a joyous Sarodiya, and we look forward to celebrating together!
We will be sending a final email to provide you with the date and time for bringing the bhog and puja-related items (Saree, Dhoti, etc.).
In the meantime, please do not hesitate to contact us via email/ texts or phone call if you have any questions or need further information.
Nita Ghose - [email protected] (732-309-3397)
Triparna Roy - [email protected] (513-496-7564)
Wishing you all a joyous Sarodiya, and we look forward to celebrating together!
মার্কিন দেশে গ্রীষ্মের ছুটি শুরু হয় মে মাসের শেষে৷ আর ঠিক এই সময় থেকেই একপ্রকার শুরু হয়ে যায় আসন্ন দুর্গাপূজোর প্রস্তুতি পর্ব৷ সিনসিনাটিতে সিসিআই পরিচালিত দুর্গাপূজোও এর ব্যতিক্রম নয়৷ সিসিআই এর বিভিন্ন সভ্য সদস্যরা, ট্রাস্টি দের পরিকল্পনা মতো বিভিন্ন পূজোর প্রস্তুতি কর্মে লেগে পড়েন৷ আসুন দেখে নেওয়া যাক এক ঝলকে কেমন ভাবে চলে এই পাড়ার দুর্গাপূজোর প্রস্তুতি যজ্ঞ৷
একদল সভ্য সদস্যরা এই সময় থেকেই লেগে পড়েন একটা স্কুলের সন্ধানে, যেখানে এই দুর্গাপূজোর আয়োজন করা হবে৷ এই কমিটির সভ্য সদস্যরা আমাদের এই পাড়ার পূজোর সূচনা লগ্নে এক সময় "ভেণু গোপাল" নামেই পরিচিত ছিল৷ ইদানীং অবশ্য এই নামটা আর অতটা শোনা যায় না৷
তারপর আসে পূজো কমিটির কথা৷ তাদের দায়িত্ব থাকে পুরোহিত মশাই এর সাথে যোগাযোগ, পূজোর সামগ্রী গোছানো থেকে আসতে আসতে পুরো তিন দিনের পূজোর যাবতীয় পরিকল্পনা করে ফেলার৷
অন্যদিকে মঞ্চসজ্জা বা ডেকোরেশন কমিটিও চিন্তা ভাবনা শুরু করে কিভাবে একটি স্কুলের জিম, বা কাফেটোরিয়া বা বাস্কেটবল কোর্ট কে মঞ্চসজ্জার মাধ্যমে রুপান্তরিত করা যাবে একটা মন্দিরের মতো করে, যেখানে মা দুর্গা এবং তাঁর পরিবার অধিষ্ঠিত হবেন আগামী তিন দিনে৷
ইতিমধ্যে সাংস্কৃতিক কমিটিও কিন্তু বসে নেই৷ তাদের পরিকল্পনায় রয়েছে কিভাবে পরিবারের সবাইকে নিয়ে, শিশু থেকে প্রবীণ সদস্য দের কে দিয়ে একটা সুন্দর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করার৷
তারপর আসে ব্রশিওর বা পত্রিকা কমিটির৷ তাদের দায়িত্বে রয়েছে আমাদের সিসিআই পরিবারের সৃজন শিল্প সবার সামনে তুলে ধরা৷
ফান্ড বা অর্থ সংগ্রহ কমিটির কাজও শুরু হয় আমাদের পূজোর পৃষ্ঠপোষক স্থানীয় ব্যাবসা গুলোর সাথে যোগাযোগ করে তাদের পছন্দ মতো অর্থ সংগ্রহ৷
তাছাড়া মঞ্চের পিছনে থেকে আমাদের সামাজিক মাধ্যম কমিটি এবং প্রচার কমিটিও এই পূজোর জনপ্রচারের ব্যবস্থা করে৷ পূজোর অনুষ্ঠান সূচি, চাঁদার মূল্য কিংবা পূজোতে কি থাকবে আকর্ষণীয় খাওয়া দাওয়া, সেইসব সমাজ মাধ্যমে প্রচারের দায়িত্ব থাকে এদেরই হাতে৷
খাওয়ার কথাই যখন উঠলো, তখন আমি নিশ্চিত যে ভারপ্রাপ্ত খাদ্যমন্ত্রী এবং তাঁর ভোজন কমিটি তিন দিন পূজোর সুস্বাদু খাবার ব্যবস্থা করতে ব্যস্ত৷ সঠিক সময় ওনারা আমাদের জানাবেন কি আয়োজন করা হয়েছে৷
আর মোটামুটি বাকী থাকে রেজিষ্ট্রেশন এবং 'মা এর বাহিনী' কমিটির কথা৷ রেজিষ্ট্রেশন টিমের গুরু দায়িত্ব থাকে পূজোর সময় যাতে আমাদের সভ্য, সদস্য এবং অতিথি রা নিশ্চিন্তে পূজোর আনন্দ উপভোগ করতে পারেন৷ এঁরা সুনিশ্চিত করেন একমাত্র পূজোর জন্য স্বীকৃত লোকজনই আমাদের পূজোয় উপস্থিত থাকে৷
আর 'মা এর বাহিনী' - নাম টা শুনে ভাবতেই পারেন এটা আবার কি? বা এরা কারা? আমাদের দুর্গাপূজোর সমস্ত ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব থাকে এই কমিটিরই হাতে৷ এই কমিটির লোকজন নিজেদের ব্যক্তিগত প্রশংসার তোয়াক্কা না করে ঝাঁপিয়ে পড়ে পূজো সংক্রান্ত সব কাজকর্মে৷ শোনা যায়, পাড়ার পূজোর সময় এই কমিটিরই লোকজনই নাকি সব থেকে বেশী পূজোয় আনন্দ করে থাকে৷
কাজেই মোটামুটি বোঝা যাচ্ছে যে আমাদের পাড়ার এই দুর্গাপূজো শুধুমাত্র পূজোই নয়৷ এটি এক কথায় একটি উৎসব, যেখানে সবাই মিলেমিশে একত্রিত হয়ে দেবী দুর্গার আরাধনায় ব্রতী হয়৷ সুতরাং আর দেরী কেন? এই পূজো তো আমাদের সকলেরই৷ আসুন আমরা সবাই মিলে এই আনন্দ যজ্ঞে এখন থেকেই অংশগ্রহণ করি৷ দেশের পূজোর স্বাদ কিন্তু এর মধ্যেই খুঁজে পাওয়া যাবে৷ যে কমিটিতে আপনার কাজ করার ইচ্ছে তাড়াতাড়ি যোগাযোগ করে নিন বোর্ড অব ট্রাস্টির সভ্যদের সাথে৷ ওরাই আপনাকে কমিটির লোকজনের সাথে পরিচয় করিয়ে দেবে৷ আর মাত্র ৮৩ দিন বাকী পাড়ার দুর্গাপূজোর৷ আমি তো তৈরি? আপনারা??
একদল সভ্য সদস্যরা এই সময় থেকেই লেগে পড়েন একটা স্কুলের সন্ধানে, যেখানে এই দুর্গাপূজোর আয়োজন করা হবে৷ এই কমিটির সভ্য সদস্যরা আমাদের এই পাড়ার পূজোর সূচনা লগ্নে এক সময় "ভেণু গোপাল" নামেই পরিচিত ছিল৷ ইদানীং অবশ্য এই নামটা আর অতটা শোনা যায় না৷
তারপর আসে পূজো কমিটির কথা৷ তাদের দায়িত্ব থাকে পুরোহিত মশাই এর সাথে যোগাযোগ, পূজোর সামগ্রী গোছানো থেকে আসতে আসতে পুরো তিন দিনের পূজোর যাবতীয় পরিকল্পনা করে ফেলার৷
অন্যদিকে মঞ্চসজ্জা বা ডেকোরেশন কমিটিও চিন্তা ভাবনা শুরু করে কিভাবে একটি স্কুলের জিম, বা কাফেটোরিয়া বা বাস্কেটবল কোর্ট কে মঞ্চসজ্জার মাধ্যমে রুপান্তরিত করা যাবে একটা মন্দিরের মতো করে, যেখানে মা দুর্গা এবং তাঁর পরিবার অধিষ্ঠিত হবেন আগামী তিন দিনে৷
ইতিমধ্যে সাংস্কৃতিক কমিটিও কিন্তু বসে নেই৷ তাদের পরিকল্পনায় রয়েছে কিভাবে পরিবারের সবাইকে নিয়ে, শিশু থেকে প্রবীণ সদস্য দের কে দিয়ে একটা সুন্দর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করার৷
তারপর আসে ব্রশিওর বা পত্রিকা কমিটির৷ তাদের দায়িত্বে রয়েছে আমাদের সিসিআই পরিবারের সৃজন শিল্প সবার সামনে তুলে ধরা৷
ফান্ড বা অর্থ সংগ্রহ কমিটির কাজও শুরু হয় আমাদের পূজোর পৃষ্ঠপোষক স্থানীয় ব্যাবসা গুলোর সাথে যোগাযোগ করে তাদের পছন্দ মতো অর্থ সংগ্রহ৷
তাছাড়া মঞ্চের পিছনে থেকে আমাদের সামাজিক মাধ্যম কমিটি এবং প্রচার কমিটিও এই পূজোর জনপ্রচারের ব্যবস্থা করে৷ পূজোর অনুষ্ঠান সূচি, চাঁদার মূল্য কিংবা পূজোতে কি থাকবে আকর্ষণীয় খাওয়া দাওয়া, সেইসব সমাজ মাধ্যমে প্রচারের দায়িত্ব থাকে এদেরই হাতে৷
খাওয়ার কথাই যখন উঠলো, তখন আমি নিশ্চিত যে ভারপ্রাপ্ত খাদ্যমন্ত্রী এবং তাঁর ভোজন কমিটি তিন দিন পূজোর সুস্বাদু খাবার ব্যবস্থা করতে ব্যস্ত৷ সঠিক সময় ওনারা আমাদের জানাবেন কি আয়োজন করা হয়েছে৷
আর মোটামুটি বাকী থাকে রেজিষ্ট্রেশন এবং 'মা এর বাহিনী' কমিটির কথা৷ রেজিষ্ট্রেশন টিমের গুরু দায়িত্ব থাকে পূজোর সময় যাতে আমাদের সভ্য, সদস্য এবং অতিথি রা নিশ্চিন্তে পূজোর আনন্দ উপভোগ করতে পারেন৷ এঁরা সুনিশ্চিত করেন একমাত্র পূজোর জন্য স্বীকৃত লোকজনই আমাদের পূজোয় উপস্থিত থাকে৷
আর 'মা এর বাহিনী' - নাম টা শুনে ভাবতেই পারেন এটা আবার কি? বা এরা কারা? আমাদের দুর্গাপূজোর সমস্ত ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব থাকে এই কমিটিরই হাতে৷ এই কমিটির লোকজন নিজেদের ব্যক্তিগত প্রশংসার তোয়াক্কা না করে ঝাঁপিয়ে পড়ে পূজো সংক্রান্ত সব কাজকর্মে৷ শোনা যায়, পাড়ার পূজোর সময় এই কমিটিরই লোকজনই নাকি সব থেকে বেশী পূজোয় আনন্দ করে থাকে৷
কাজেই মোটামুটি বোঝা যাচ্ছে যে আমাদের পাড়ার এই দুর্গাপূজো শুধুমাত্র পূজোই নয়৷ এটি এক কথায় একটি উৎসব, যেখানে সবাই মিলেমিশে একত্রিত হয়ে দেবী দুর্গার আরাধনায় ব্রতী হয়৷ সুতরাং আর দেরী কেন? এই পূজো তো আমাদের সকলেরই৷ আসুন আমরা সবাই মিলে এই আনন্দ যজ্ঞে এখন থেকেই অংশগ্রহণ করি৷ দেশের পূজোর স্বাদ কিন্তু এর মধ্যেই খুঁজে পাওয়া যাবে৷ যে কমিটিতে আপনার কাজ করার ইচ্ছে তাড়াতাড়ি যোগাযোগ করে নিন বোর্ড অব ট্রাস্টির সভ্যদের সাথে৷ ওরাই আপনাকে কমিটির লোকজনের সাথে পরিচয় করিয়ে দেবে৷ আর মাত্র ৮৩ দিন বাকী পাড়ার দুর্গাপূজোর৷ আমি তো তৈরি? আপনারা??